
পলাশবাড়ীতে নির্মিত রামমূর্তি অপসারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন, ৫ দফা দাবি ঘোষণা
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে নির্মিত কথিত বিশ্বের বৃহত্তম রামমূর্তি দ্রুত অপসারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে সচেতন নাগরিক ফোরাম গাইবান্ধা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে জেলা শহরের দেশি ভোজ হোটেলের হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ফোরামের আহ্বায়ক মুফতি মাহমুদুল কাসেমী। তিনি বলেন, গাইবান্ধা জেলায় দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু, মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন। তবে সম্প্রতি পলাশবাড়ীতে রামমূর্তি নির্মাণকে কেন্দ্র করে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে এর আগে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের আড়ালে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, ভারতের বিভিন্ন মহলের বক্তব্যে রংপুর অঞ্চল নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—খোলা স্থানে স্থাপিত বিতর্কিত রামমূর্তি দ্রুত অপসারণ, অভিযোগে অভিযুক্ত হরিদাসসহ সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা, প্রকল্পের অর্থায়নের উৎস তদন্ত, বিদেশি সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গাইবান্ধা ও রংপুর বিভাগের শান্তি-শৃঙ্খলা ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
বক্তারা বলেন, দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সচেতন নাগরিক ফোরামের সদস্য সচিব প্রভাষক মাওলানা আব্দুল মাজেদ, হাফেজ মো. আবুল বাসার, সহকারী অধ্যাপক জহুরুল হক সরকার, মুফতি ইদ্রিস আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
দ্রষ্টব্য: প্রতিবেদনে উল্লিখিত দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র, বিদেশি সম্পৃক্ততা ও অন্যান্য অভিযোগগুলো সংবাদ সম্মেলনে বক্তাদের দাবি ও বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।