1. info@www.jawarbarta.com : জাউয়ার বার্তা :
  2. zubaerahmad85@gmail.com : জাউয়ার বার্তা : জাউয়ার বার্তা
ছাতকে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনে প্রতারণার অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। - জাউয়ার বার্তা
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সৌদি দূতাবাসের জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ড ফাইনালে ৪র্থ জাউয়ার বাজারের আমাতুল বারি নাযিরা, পেল ৬০ হাজার টাকা পুরস্কার প্রবাসীদের অনুদানে নান্দনিক রূপে নির্মিত হচ্ছে পাগনারপাড় জামে মসজিদ, ব্যয় হতে পারে প্রায় কোটি টাকা সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে নিখোঁজ আফাজ উদ্দিন এর সন্ধান চায় পরিবার   জাউয়া খিদ্রাকাপন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ওসি আনুজানীতে একের পর এক অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি মাওলানা আবদুর রহমান কফিলকে ঘিরে বিরোধ, উত্তপ্ত সুনামগঞ্জের জামেয়া মারকাজুল উলূম সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ছাতকে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল রাউলীতে প্রবাসীদের নিয়ে আল-ইহসান সমাজ কল্যাণ সংস্থার নতুন কমিটি গোবিন্দগঞ্জে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক ছাতকের ইসলামপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বক্তব্য বিকৃতির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ছাতকে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনে প্রতারণার অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

ছাতকে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনে প্রতারণার অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ২৮ নম্বর রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে প্রতারণাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. নাজমা বেগমের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় গত ১৩ জুলাই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পক্ষে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কালারুকা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সাজ্জাদুর রহমান।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৩ জুন অভিভাবক ও শিক্ষকবৃন্দের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে সাজ্জাদুর রহমানকে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে অনুরোধ করা হয়।

কিন্তু তিনি গোপনে অন্য একজনকে সভাপতির প্রস্তাব পাটিয়েছেন। এর আগে ওই ব্যক্তির সন্তানক গোপনে বিদ্যালয়ে ভর্তি করান। অভিযোগকারীদের দাবি, চলতি শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকে ওই শিক্ষার্থীর ভর্তি-সংক্রান্ত কোনো তথ্য ছিল না। পরে ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবকের নাম সভাপতি পদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন অনিয়ম, অপকর্ম ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগ রয়েছে, যা শিক্ষা অফিসের স্মারক নং–৬০৭/২০২৪ অনুযায়ী তদন্তাধীন। এছাড়া বিদ্যালয়ে তাঁর স্বামীর সঙ্গে সংঘটিত এক বিরোধের ঘটনায় পুলিশকে ঘটনাস্থলে যেতে হয়েছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই বিদ্যালয়ের পুরোনো আলমারি, সিলিং ফ্যান, বইপুস্তকসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র বিক্রি করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও আনা হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডে বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে।

অভিযোগকারীদের দাবী ওই শিক্ষিকা একই গ্রামের হওয়াতে তার স্বামীর পক্ষ নিয়ে গোষ্টিগতভাবে তিনি গ্রাম্য রাজিনিতিতে জরিয়ে পড়েছেন। এছাড়া সরকারী চাকুরীর প্রভাবে তিনি গ্রামের প্রতিপক্ষ ও তাদের স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সাথে খারাপ আচড়ন করেন। এতে যে কোনো সময় শিক্ষা প্রতিষ্টানকে কেন্দ্র করে গ্রামে বিশৃঙ্খলা শৃষ্টির আশংকা রয়েছে। বিধায় তার বিরুদ্ধে তদন্তমুলক আইনানুগ ব্যস্থা ও তাকে অনত্র বদলি করা একান্ত জরুরী।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. নাজমা বেগম বলেন, এসব তাদের ভুল বোঝাবুঝির, আমি ব্যক্তিগতভাবে বা গোপনে কারও নাম প্রস্তাব করিনি। শিক্ষার্থী ভর্তিও নিয়ম অনুযায়ী এবং সময়মতই করা হয়েছে। বিধি মোতাবেক শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বাকীটা কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিবেন। এছাড়া একজন সদস্যের ডাক নাম লিপি কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার যে নাম সেটা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত জাউয়া'র বার্তা-২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট